ইউরোপ  ব্যুরোপ্রধান:

প্রবাসে থেকেও দেশে হয়রানি ও  মামলার শিকার হতে  হচ্ছে ইতালী প্রবাসী গোলাম মোস্তফাকে।  পৈতৃক  সম্পত্তি  দখল করে নিয়েছে প্রতিবেশী  প্রভাবশালী  ব্যক্তি।

চট্টগ্রামের  ফটিকছড়ি  উপজেলার মৃত মফজল আহমের (শাহিনুর নামটি ঠিক আছে) এর পুত্র গোলাম মোস্তফা নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে ও জীবিকার  তাগিদে  দীর্ঘ ৩৮ প্রবাসে বসবাস করছেন। প্রবাস জীবনের শুরুতে মধ্যপ্রাচ্যে (মিডিলিষ্টে) থাকলে ও বর্তমানে বসবাস করছেন ইতালীর ভেনিস শহরের মেসত্রে-তে । শুধু  গোলাম মোস্তফা নন,  তাদের পরিবারের অনেকেই  আছেন প্রবাসে।  বাপ দাদার ভিটে মাটি ছেড়ে দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার পর  তিনি সিদ্ধান্ত নেন পৈতৃক ভিটেতে কিছু একটা করবেন, ভবিষ্যৎ এর জন্য। সে জন্য  ২০১৫ সালে দেশে গিয়ে যখন পৈতৃক  সম্পত্তিতে কাজ শুরু করেন এবং তখনি আসে বাধা।

গোলাম মোস্তফার প্রতিবেশী  নুরুল হুদা চৌধুরী তাদের পৈত্রিক সম্পত্তির দুই শতক জায়গা নিজের বলে দাবী করে দখল করে রাখেন।  তখন গোলাম মোস্তফা  ও তার  ছোট ভাই  গোলাম কাদের জমির কাগজপত্র দেখতে চাইলে তালবাহানা শুরু করে নুরুল হুদা  চৌধুরী।  গোলাম মোস্তফা  জানান ফটিকছড়ির ধুরুং পৌরসভার  যে জায়গাটি তাদের বেদখলে রয়েছে,  তার আনুমানিক বাজার মূল্য  ৫০ লক্ষ টাকা।

জায়গার দলিল দেখানোর কথা বলে দীর্ঘ  সময় নষ্ট করে দলীল না দেখিয়েই নুরুল হুদা সম্পত্তি  দখল করে নিয়ে নেন এবং গোলাম মোস্তফা ও  তার ভাই গোলাম কাদের  এর উপর হামলা চালায়।  সে সময় আশেপাশের  লোকজন মুমূর্ষু  অবস্থায় গোলাম মোস্তফা  কে ও তার ভাই গোলাম কাদের  কে আহত অবস্থায়  হাসপাতালে নিয়ে যায়। সে সময় গোলাম মোস্তফা  বাদি হয়ে নুরুল হুদা চৌধুরী  কে আসামী  করে  ২০১৫ সালের ২৯  শে জুন ফটিকছড়ি থানায় মামলা দায়ের করেন ।  সেই মামলায় নুরুল হুদা চৌধুরী  ১০ দিন পর জামিনে এসে  গোলাম মোস্তফা  ও তার পরিবারকে হুমকি দিতে থাকে।   এবং গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে  মিথ্যা মামলার অভিযোগ  দাখিল করেন বলে।

পৌতৃক সম্পত্তি রক্ষা করতে প্রবাসে থেকে মিথ্যা মামলায় ইতালী থেকে  হাজিরা দিতে দেশে  গিয়ে  নানা হয়রানির  শিকার হচ্ছেন  বলে জানান গোলাম মোস্তফা। এ বিষয়ে ইতালীতে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে সহযোগিতা  চেয়ে  উপসচিব (অভিবাসী কল্যান) ও প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান  মন্ত্রানলয়ে  চলতি বছরের  ৭ ই আগষ্ট  আবেদন করেন।

জাকির হোসেন সুমন/হাবিব ইফতেখার/শাহিনুর/এস রহমান

Leave a Reply

Your email address will not be published.

*