কাতারে একমাত্র বাংলাদেশী মালিকানাধিন প্রতিষ্ঠান আল জাইম পলিক্লিনিক পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ দূতাবাসের মান্যবর রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ এবং দূতাবাসের কর্মমর্তা বৃন্দ। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের লেবার কাউন্সেলর ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, লেবার উইং কাউন্সেলর মোঃ রবিউল ইসলাম, প্রথম সচিব (পলিটিকাল) মাহবুবুর রহমান।

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বাইজিদ থানার কৃতি সন্তান শিল্পপতি আলহাজ্ব ওমর ফারুক ১৯৭৮ সালে কর্মের তাগিতে পাড়ি জমান কাতারে। প্রথমে মেকানিক্যাল টেকনিশিয়ান ইনচার্জ হিসবে ৬ বছর চাকরি করেন। এরপর চাকরি ছেড়ে দিয়ে শুরু করেন ব্যাবসা এবং প্রবল ইচ্ছা শক্তি এবং দক্ষতা বলে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন সফল উদ্যোগক্তা এবং সফল ব্যবসায়ী হিশেবে। কাতারের বিভিন্ন অঞ্চলে গড়ে তুলেছনে হাসপাতাল, ফার্মাসি, ট্রাভেলস এন্ড ট্যুর, গ্রোসারি সপ, রেস্টুরেন্ট, সুইটস এন্ড নাটস, ট্রেডিং এন্ড কন্ট্রাক্টটিং, এয়ার কার্গো, অটো ইলেক্ট্রিক সপ, গার্মেন্টস বুকসপসহ বেস কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।

৪১ বছর আগে পাড়ি জমানো ওমর ফারুক এখন প্রতিষ্ঠিত শিল্পপতি এবং কাতারে বসবাসরত সাড়ে চার লাখ প্রবাসী বাংলাদেশীদের অনুপ্রেরনা। এছাড়া কাতারে এবং বাংলাদেশে  কয়েকটি মাদ্রাসা মসজিদ এতিম খানা তৈরি করেছেন। প্রতি বছর ৩৫ হাজার ছাত্রছাত্রীর জন্য তিনি ফ্রি লেখা পাড়া এবং খাওয়া থাকার ব্যবস্থা করে আসছেন।  শিল্পপতি ওমর ফারুক সরকার থেকে যেই সহযোগিতাগুলো চাচ্ছেন তা হলঃ বাংলাদেশ থেকে উন্নতমানের ডাক্তার, নার্স, ফার্মাসিস্ট, ট্যাকনেশিয়ান, আনার ব্যবস্থা করা।

বাংলাদেশ থেকে মেডিসিন আমদানির জন্য কয়েকটি ঔষদ কোম্পানির সাথে চুক্তিতে সহায়তা করা।

চট্টগ্রাম শহরে নিজ ক্রয় কৃত ভুমিতে  একটি আধুনিক মানের হাসপাতাল নির্মানে সহযোগিতা। চট্টগ্রামে ফ্রি জোনে ইন্ড্রাস্ট্রি করার জন্য একটি যায়গার ব্যবস্থা করা।

শিল্পপতি ওমর ফারুক ছাড়াও কাতারে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত থেকে রেমিটেন্স প্রবাহ সচল রেখে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপুর্ন ভুমিকার রাখছেন প্রবাসীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

*