কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো যেন এক একটি লাল- সবুজের বাংলাদেশ। এমন সৃজনশীল পরিকল্পনার নেপথ্যে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল মোতালেব। তিনি ২০১২ সাল থেকে বিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বর্ধনে কাজ করে আসছেন। তার দেখানো পথে এখন অনেকে এমনটা করছেন।

কয়েকটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগন বলেন, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কোম্পানীগঞ্জে যোগ দেয়ার পর থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর সৌন্দর্য বর্ধনে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।——

তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সততা ষ্টোর ,মানবতার দেয়াল,বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে খেলার সামগ্রী থেকে শুরু করে ফুলের বাগান করার জন্য শিক্ষকদের উদ্বুদ্ধ করেন। এখন বিদ্যালয়গুলোর চেহারা পরিবর্তন হয়েগেছে। শিক্ষার্থীরাও আগের তুলনায় অনেক বেশি বিদ্যালয়মুখি হয়েছে।

এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষা আফিসার আব্দুল মোতালেব বলেন, আমি যখন ২০১০ সালে প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষা অফিসার হিসেবে যোগদান করি তখনই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্যেগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার একটি জাতী উপহার দেয়া নিয়ে সকল বিদ্যালয়ে লাল সবুজের চেতনায় উজ্জিবিত করতে ও দেশ প্রেম জাগ্রত করতে বিদ্যালয়ে লাল এবং সবুজ রং ব্যাবহারের উদ্যেগ নিই। তারই প্রেক্ষিতে ২০১২ সালে ফেনী জেলার দাগনভুঞা উপজেলায় আমি শুরু করে ২০১৬ সালে শতভাগ বিদ্যালয়কে লাল সবুজ পতাকার রঙ্গে রাঙাই। ২০১৭ সালে কোম্পানীগঞ্জে যোগদানের পর আজ অবদি এক তৃতিয়াংশ বিদ্যালয়কে লাল সবুজ রঙ্গের ছায়াতলে নিয়ে আসি। আমি আশারাখি যদি শিক্ষা মন্ত্রনালয় এমন উদ্যেগ নেয় তাহলে সারা দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো লালসবুজের রঙে রাঙাবে। ভবিষ্যত প্রজন্ম দেশকে ও দেশের জাতীয় পতাকাকে ছোট থেকেই জানতে ও শিখতে পারবে। তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হবে।

হাসান ইমাম রাসেল/হাবিব ইফতেখার/শাহিনুর/এস রহমান

Leave a Reply

Your email address will not be published.

*