স্টাফ রিপোর্টার (সৈয়দপুর):
প্রথমবারের মতো প্রিমিয়ার লীগে অংশগ্রহন করেই বাজিমাত করে দিল বসুন্ধরা কিংস। আঁতশবাজির ঝলকানিতে রঙিণ হয়ে উঠে গোটা নীলফামারী শহর। উঠবেই না কেন? প্রাণের দল স্বাগতিক বসুন্ধরা কিংস হাতে দুই ম্যাচ রেখেই চ্যাম্পিয়নের খ্যাতি পেল। বৃহস্পতিবার নীলফামারী শেখ কামাল স্টেডিয়ামে মহামেডানের সাথে ড্র করেই চ্যাম্পিয়ন হয়ে যায় বসুন্ধরা কিংস।
খেলার ১৬ মিনিটে মহামেডানের ফরোয়ার্ড তকলিস আহমেদ একায় তিন জন খেলোয়ারকে কাটিয়ে আলতো করে বল গোল পোষ্টের উদ্দ্যেশে বাড়িয়ে দেয়। গোলরক্ষক জিকো লাফিয়ে বলটি বাধা দিলেও বলটি ডি-বক্সের ভিতরেই রয়ে যায়। সুযোগ সন্ধানী মালির ফরোয়ার্ড ফাঁকা বারে বল জালে পাঠিয়ে দেয়। এতেই ০-১ ব্যবধানে অতিথিরা এগিয়ে যায়।
২৪ মিনিটে বসুন্ধরার নাছির চৌধুরী মহামেডানের গোল রক্ষককে একা পেয়েও দলকে সমতায় আনতে পারে নাই। তবে ৪০ মিনিটে ব্রাজিলিয়ান যায়ান্ট মার্কোস কোষ্টা দলকে সমতায় ফেরায়। অধিনায়ক কলিড্রেসের কর্ণার শুট ফাষ্টবার হতে মার্কোস হেডে বল মহামেডানের জালে বল পাঠিয়ে দেয়। আর এতেই দর্শক গ্যালারীতে ব্যান্ডপার্টির তালে নেচে উঠে কয়েক হাজার দর্শক। ৪২ মিনিটে মতিন মিয়াও ব্যবধান বাড়াতে সুযোগ মিস করে। এতে ১-১ সমতায় প্রথমার্ধ্য শেষ হয়। দ্বিতীয়ার্ধ্যে ব্যবধান বাড়াতে দুই দলেই হয়ে উঠে আক্রমনাত্বক। তবে শেষ পর্যন্ত কোন দল গোল করতে না পারায় ১-১ গোলে ম্যাচ শেষ হয়ে যায়।  চ্যাম্পিয়ন দ্যা কিংস ২২ ম্যাচে ১৯ জয় ও দুই ড্রয়ে ৫৯ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হলো। আর দ্বিতীয় স্থানে থাকা আবাহনী ঢাকার ২৩ ম্যাচে ৫৫ পয়েন্ট। বাকি একটি ম্যাচ জিতলেও বসুন্ধরার চেয়ে এক পয়েন্ট কম থাকবে।

আফরোজ আহম্মেদ সিদ্দিকী টুইংকেল/হাবিব ইফতেখার/শাহিনুর/এস রহমান

Leave a Reply

Your email address will not be published.

*