পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি:

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার খালাশপীর বাজারে রংপুর জেলা পরিষদের বেদখল হয়ে যাওয়া ২ কোটি টাকা মুল্যের জমি অবশেষে উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার সকাল ১১ টায় পীরগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি সঞ্জয় কুমার মহন্তের নেতৃত্বে রংপুর জেলা পরিষদের জমিতে অবৈধভাবে গড়ে উঠা আধা পাকা স্থাপনা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়। এর আগে জেলা পরিষদ ওই জমি থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদের নোটিশ দিয়ে প্রস্তাবিত মার্কেট নির্মানের সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে দেয়া হয়েছিল।

উল্লেখ্য, বর্নিত জমিটি সৌর্য্যুয়া লাল চৌহান নামে এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বাসা ও ৬টি দোকান ঘর নির্মান অবৈধভাবে দখল করে রেখেছিল। এ ছাড়াও জমিটিতেই অপর দখলদার মজিবর রহমান একটি বাসা, ৫টি দোকারঘর এবং শহীদ গাছু নামে এক ব্যক্তি ও বাসা ও ২টি দোকানঘর নির্মান করে। গেল বছর সৌর্য্যুয়া লাল চৌহান তার দখলকৃত জমির কয়েকটি দোকানের পজেশন মোটা অংকের টাকায় বিক্রি করলে ক্রেতারা পাকা দোকানঘর নির্মান শুরু করে। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে বিরোধ দেখা দিলে গেল বছরের ৮ আগষ্ট জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাডঃ ছাফিয়া খানম, জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার, রংপুর জেলা পরিষদের ১৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার রিয়াজুল ইসলাম রনিসহ কয়েকজন এসে বেদখল হয়ে যাওয়া ১৩ শতক জমির অবৈধ দখলকারীদের ৭ দিনের মধ্যে উচ্ছেদের নোটিশ দেন। এরপর সেখানে প্রস্তাবিত মার্কেট নির্মানের লক্ষে সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু সাইনবোর্ড টাঙ্গানো থাকলেও উল্টো জমিটি আবারো উল্লেখিতরা তাদের দখলে নেয় । জমিটিতে পজেশন ক্রেতারা হলেন, জয়ন্তিপুর গ্রামের মফিদুল ইসলাম, মিনু মিয়া, মন্টু লাল চৌহান, গোপীনাথপুর গ্রামের তারা মিয়া, আব্দুল কাদের মিয়া, রিংকু, মজিবর রহমান, রানা মিয়া।

সব জল্পনা কল্পনার অবসানঘটিয়ে গেল বুধবার উপজেলা সহকারী কমিশনার সঞ্জয় কুমার মহন্ত, রংপুর জেলা পরিষদের প্রকৌশলী সোহেল রানা অভিযান চালিয়ে জেলা পরিষদের বেদখল হয়ে যাওয়া জমি উদ্ধার করেন। জেলা পরিষদের ১৫ নং ওয়ার্ডের সদস্য রিয়াজুল ইসলাম রনি, ১৪ নং ওয়র্ডের সদস্য শহিদুল ইসলাম এ সময় তাদের সাথে ছিলেন।

মাহামুদুল/হাবিব ইফতেখার/শাহিনুর/এস রহমান

Leave a Reply

Your email address will not be published.

*