কুয়েত প্রতিনিধি:

পবিএ মাহে রমজান মানে সংযমের মাস, দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনায় ছুটে চলেন সকল মুসলিম উম্মাহ। ইসলাম যে আলোর পথ দেখিয়েছে তারই পথ খুজে বেরাতে আযানের ধ্বনি শুনলেই মসজিদে মসজিদে ফরজ, সুন্নত আর তারাবি নামাজের মধ্য দিয়ে ইবাদতে মসগুল হতে দেখা যায়। এখানে কেয়াম বা কদরের রাতের নামাজে থাকে ভিন্ন আয়োজন মসজিদে।

সারাবিশ্বের মুসলমানদের মত কুয়েতের প্রবাসীরা এ মাসটিতে একে অপরের সাথে সৌহার্দ্য আর আপ্যায়নে সময় কাটাতে ভুলতে রাজি নন। এখানে যেমন রয়েছে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, তেমনি রয়েছে শ্রমজীবি মানুষ। প্রায় প্রতিদিন কুয়েতে চলে ইফতার দোয়া মাহফিল সহ নানা আয়োজন। দুর দুরান্ত হতে ছুটে আসা অনেকে বাংঙালী খাবারের স্বাদ নিতে আসেন সিটি সহ বাংঙালী অধ্যুষিত এলাকা গুলোতে, যেখানে এসে দেশীয় ইফতারের স্বাদ নিতে ভুলেননা।

বাসা বাড়িতে পরিবারগুলো যেমন দেশীয় খাবার সাজিয়ে বসেন আবার বিভিন্ন হোটেলিরা তাদের ইফতার আয়োজনে ভুল করেন না, তেমনি এলাকা কুয়েত সিটি মুরগাব, হাসাবিয়া, জাহারা, ফাহিলসহ বেশ কিছু এলাকা।

এসব খাবারের তালিকায় প্রথমই যে আইটেম তা হচ্ছে ছোলা, মুরি, পেয়াজু, বেগুনি আলুর চপসহ খেজুর, ফল আর শরবতের পসরা আবার বিরিয়ানি, খিচুরি, সেমাই, মিষ্টান্ন তো আছেই। প্রবাসীরা অনেকে ঘর হতে বানিয়ে বন্ধু বান্ধব মিলে আবার হোটলের বানানো খাবার কিনে ইফতার করেন। সবমিলিয়ে চাহিদা অনুযায়ী রোজাদারগন যেমন পাচ্ছে পছন্দের ইফতার আবার দোকানীরাও ক্রেতাদের চাহিদা মিটাতে পেরে আনন্দিত।

এখানে সামাজিক বা রাজনৈতিক সংগঠন গুলো তাদের ব্যানারে মুসল্লি ও প্রবাসীদের জন্য আয়োজন করেন রমজানের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা সভা, ইফতার ও দোয়া মাহফিল সহ নানা আয়োজন। দূতাবাস সহ নানা শ্রেনী পেশার প্রবাসীদের উপস্থিতিতে সফল হয় এসকল আয়োজন।

এখানে সরকারীভাবে ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রমজানের ইফতার বিতরন করেন মসজিদে মসজিদে, বিভিন্ন দেশের প্রবাসী মুসল্লিরা ইফতার করেন এখানে। প্রবাসীরা রমজান রোজা আর ইফতার কেমন কাটে পুরো মাস জুড়ে তাই জানাতে গিয়ে বলেন – এখানের হাইপার মার্কেট সহ বিভিন্ন শপিং মলে থাকে মূল্যছাড় এবং খাবারের আইটেমে থাকে বিশেষ নজরদারী সেখেত্রে স্বাস্থ্য যুকির আশংকা নেই বললেই চলে।

শেখ এহছানুল হক খোকন/হাবিব ইফতেখার/শাহিনুর/এস রহমান

Leave a Reply

Your email address will not be published.

*