ডেক্স রির্পোট:
“ভোরের হাওয়া লাখ টাকার দাওয়া” এই প্রতিপাদ্যের জয়গান যুগ যুগ ধরে চিকিৎসা বিদ্য থেকে শুরু করে মনোবিজ্ঞান লুফে নিয়েছে। কোলাহল মুক্ত পরিবেশে আদিকাল থেকে মানুষ নিজের শরীর সুষ্ঠ সুন্দর সবল রাখতে ভোর বেলায় ঘুম থেকে জেগে নিয়মিত হাঁটা অভ্যাস গড়ে তোলে আসছেন। সেই সাথে নিয়মিত হাঁটা সবচেয়ে ভালো ব্যায়াম বলে অভিহিত করেছেন চিকিৎসা ও মনোবিজ্ঞানীরা। এক কথায়, হাটলে অনেক রোগের উপশম হয়। ডায়বেটিস রোগীদের জন্য হাঁটার কোনো বিকল্প নেই।

সুন্দর, দূষণমুক্ত পরিবেশে হাঁটা উচিৎ। মাঝে মাঝে হাঁটার রাস্তা বা জায়গা বদল করুন। এতে একঘেয়েমি কাঁটবে, ভালো লাগবে। পায়ে হাঁটা শরীরের সবচেয়ে উপকারী কারণ সকল ধরনের ব্যায়ামের মন্ত্র থাকে। হাত পা নেড়ে প্রতিদিন সকালে অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট টানা হাঁটার অভ্যাস করলেই শরীরের রোগভোগের আশঙ্কা অনেক কমে যায়। সকালে হাঁটলে মার্সেল ও জোড়া শক্ত হয়ে থাকে। এবং আত্মবিশ্বাসও বাড়বে। তাছাড়া এতে করে সারাটা দিন ভালো কাটে। ……………….

প্রতিদিন হাঁটতে যাওয়ার আগে লক্ষ্য রাখতে হবে পোশাকটি যথেষ্ট আরামদায়ক এবং হাঁটার উপযোগী কিনা। হাঁটার আগে একটু ঢিলেঢালা পোশাক ও আরামদায়ক জুতো থাকলে ভাল লাগবে সেই সঙ্গে অবশ্যই খাবার পানি রাখুন। প্রতি ১৫ মিনিট পর পর অল্প অল্প করে পানি খান। তাহলে সকালের হাঁটার অভ্যাসটা উপভোগ্য হয়।

দলবেঁধে হাঁটার সময় কথা বা গল্প না করাই ভাল এবং দ্রুত হাঁটার সময় হাত পায়ের বিশেষ ব্যামগুলো করতে পারলেই স্বার্থক হবে।

তাই নিজে হাটুন অপরকে হাটার অভ্যাস করুন। সেই সাথে শরীর সুষ্ট রাখুন। আজ এই পর্যন্ত। পরবর্তী স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রতিবেদন নিয়ে আবার আসছি আমি….। আল্লাহ্ হাফেজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

*