বেনাপল (যশোর) প্রতিনিধি:

যশোরের শার্শা উপজেলার নীলকুঠি ফ্যামিলি পার্কে অবাধে চলছে নাকি দেহ ব্যবসা। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে যৌন কর্মীরা অনেকে বোরখা পরে এখানে আসে। এছাড়্ওা এলাকার উঠতি বয়সের স্কুল, কলেজ গামী ছেলে মেয়েরাও ছুটছে এ পার্কের দিকে। ছোট ছোট খুপড়ি ঘরে চলে রঙ্গলিলা। সেখান থেকে নেয়া হয় ঘর প্রতি ঘন্টায় দুই হাজার টাকা, আবার সকাল ৯ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত ৪ হাজারের প্যাকেজ রয়েছে। শুধু তাই নয় নীলকুঠি ফ্যামিলি পার্কের স্বত্বাধিকারী তরিকুল ইসলাম মিলন মেম্বারের বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ, ৩২ জন কৃষকের জমি দখল করে গড়ে তোলা হয় এই নীলকুঠি ফ্যামিলি পার্ক। এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছে না। শার্শা উপজেলা থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিনে গত ১২ বছর আগে তরিকুল ইসলাম মিলন নামে এক ইউপি সদস্য ১০ বিঘা জমি নিয়ে নীলকুঠি ফ্যামিলি পার্ক নামে একটি পার্ক নির্মান করেন, এলাকাবাসীর মনোরঞ্জনের জন্য। প্রথম অবস্থায় ঠিকঠাক চললেও বছর ঘুরতে না ঘুরতেই শুরু হয় অসামাজিক কার্যক্রম। এক কথায় বলা যায়- পার্ক হলো সুস্থ বিনোদনের স্থান। কর্ম ব্যস্ততায় ক্লান্তি ঝরানো প্রত্যাশায়, পরিবার পরিজন, বন্ধু বান্ধব নিয়ে একটু আনন্দের মাঝে প্রশান্তি খোঁজা। তাই ছুটে যাওয়া। কিন্তু সেখানে যদি বিব্রত অবস্থায় পড়তে হয়, তাহলে বিনোদন কথাটার মোড় ঘুরে যায়। যেন সুস্থ বিনোদন নয়, অসুস্থ বিনোদনের জন্য গড়ে ওঠা এই পার্ক। নীলকুঠি ফ্যামিলি পার্কে অবাধে চলছে দেহ ব্যবসা। প্রকাশ্য দিবালোকে এ অসামাজিক কাজ চললেও কারও কোন মাথা ব্যথা নেই। এ পার্কে যারা ঘুরতে আসে, তাদের অধিকাংশই স্কুল ও কলেজ পড়–য়া ছেলে মেয়ে। অসামাজিক কার্যক্রমের জন্য জনমনে দেখা দিয়েছে চরম হতাশা।

কেন এমন হচ্ছে- অভিযোগে উঠে আসে পার্কের শুরুটাই হয়েছে পেশী শক্তি এবং বিনোদনের নামে অসুস্থ বিনোদন। নষ্ট হচ্ছে এলাকার পরিবেশ ও কোমলমতি ছেলে মেয়েরা। অসামাজিক কার্যক্রমের জন্য জনমনে দেখা দিয়েছে চরম হতাশা। উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে অভিভাবক মহল। দাবী উঠেছে অবিলম্বে পার্কটি বন্ধ করা হোক। আজ এপর্যন্ত পরবতীতে নতুন এক প্রতিবেদন নিয়ে ফিরবো সে পর্যন্ত সুস্থ থাকবেন আর অপরাধ থেকে নিজেকে নিরাপদে রাখুন।

(ভিডিওতে বিস্তারিত দেখুন, লাইক/শেয়ার এবং সাবস্ক্রাইব করুন)

www.mktelevision.net/আয়ুৃব হোসেন পক্ষী/হাবিব ইফতেখার/শাহিনুর/মৌরী/রফিক/ইফতেখার

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.

*