Home সংবাদ বিভাগ বিশ্বকাপ শেষে বাংলাদেশের সামনে শুধুই টেস্ট

বিশ্বকাপ শেষে বাংলাদেশের সামনে শুধুই টেস্ট

442
0

ময়ূরকণ্ঠী খেলার ডেস্ক :
২০১৬ সালের জানুয়ারিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চারটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। এরপর এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টিতে ফাইনালসহ ম্যাচ খেলেছে আরও পাঁচটি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাছাইপর্বে টাইগাররা খেলবে তিনটি ম্যাচ। সুপার টেনে উঠতে পারলে সেই স্টেজে পাবে আরও চারটি ম্যাচ। এক টানা এতো টি- টোয়েন্টি অতীতে খেলেনি বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টির বৈশ্বিক আসরগুলোর দাপটে টেস্ট খেলা হচ্ছেই না বাংলাদেশের। বাংলাদেশ দল সর্বশেষ টেস্ট ম্যাচ খেলেছে ২০১৫ সালের জুলাইয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। তবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষেই পাল্টে যাবে দৃশ্যপট। টেস্টে ঝুঁকবে বাংলাদেশ। চলতি বছরই বাংলাদেশ দল খেলবে সাতটি টেস্ট। ওয়েস্ট ইন্ডিজ বাংলাদেশ সফরে এলে বাড়বে আরও দুটি। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আনতে চেষ্টা চলছে বিসিবির তরফ থেকে। ক্যারিবীয়রাও আগ্রহী বাংলাদেশ সফরে আসতে। দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে চলছে আলোচনা। জুন-জুলাইয়ে দুটি টেস্ট খেলতে জিম্বাবুয়ে যাওয়ার কথা বাংলাদেশের। আগস্টে একটি টেস্ট খেলতে প্রথমবারের মতো ভারত সফরে যাবে মুশফিক-সাকিবরা। টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর এটিই হবে বাংলাদেশের প্রথম দ্বিপাক্ষিক ভারত সফর। একমাত্র টেস্ট ম্যাচটি ইডেন গার্ডেনসে হওয়ার কথা রয়েছে। অক্টোবরে ইংল্যান্ডকে আতিথেয়তা দেবে বাংলাদেশ। ২০০৪ ও ২০১০ সালের পর চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশে আসবে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল। এবারের সফরে দুটি টেস্টের সঙ্গে থাকবে তিনটি ওয়ানডে। ডিসেম্বরে নিউজিল্যান্ডে যাওয়ার সিডিউল রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের। দুটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে ও দুটি টি-টোয়েন্টি খেলার কথা রয়েছে দুই দলের। ২০০২, ২০০৮ ও ২০১০ সালের পর চতুর্থবারের মতো নিউজিল্যান্ড সফর করবে টাইগাররা। বাংলাদেশের আসন্ন সিরিজগুলো নিয়ে বিসিবি পরিচালক ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বাংলানিউজকে বলেন, ‘জুন-জুলাইয়ে দুটি টেস্ট খেলতে আমাদের জিম্বাবুয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। তবে যাব কি যাব না, সেটা এখনো নিশ্চিত হয়নি। আগস্টে আমরা একটি টেস্ট খেলতে ভারত যাব-এটা নিশ্চিত। ইংল্যান্ড আসবে অক্টোবরে। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে, তারা আসতে আগ্রহী। কিন্তু স্লট পাচ্ছি না আমরা। ওরা চায় নভেম্বরে আসতে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ আসলে ভালো হয়। ডিসেম্বরে আমরা যাবো নিউজিল্যান্ডে। ট্যুরটা আমাদের জন্য কঠিন হতে পারে। নিউজিল্যান্ডে গিয়ে ওদেরকে হারানো বেশ কঠিন।’ টেস্ট খেলার গুরুত্ব প্রসঙ্গে জালাল ইউনুস বলেন, লংগার ভার্সনে স্ট্রং থাকলে ওয়ানডে, টোয়েন্টিতেও ভালো করা সম্ভব। এগুলোর মেরুদন্ড হলো লংগার ভার্সন। ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে আমাদের উচিত ক্রিকেটারদের টেস্টের প্রতি আগ্রহী করানো। টেস্ট খেলার সুযোগ বাড়ানো।
mktelevision.net/নাভিদ মুসতাসিম ঋষু/ইফতেখার/আল মামুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here