অস্ট্রেলিয়াও সাত উইকেটের জয়ে উঠে গেছে টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে।

451
0

ময়ূরকণ্ঠী খেলার ডেস্ক :

আগের দিনই বুঝতে পেরেছিলেন, শেষটা মনের মতো হচ্ছে না। বিদায়ী টেস্টটা ব্যাট হাতে রাঙাতে পেরেছেন, কিন্তু জয় পেলেই নিশ্চয় বেশি খুশি হতেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। সেটা আর হয়নি, অস্ট্রেলিয়াও সাত উইকেটের জয়ে উঠে গেছে টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে। তবে ম্যাচ শেষে ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভালকে অতলান্ত বিষণ্নতায় ডুবিয়ে দিয়ে গেলেন ম্যাককালাম। ১৪ বছরের ক্যারিয়ারে নিউজিল্যান্ডের খোলনলচে অনেকটুকুই বদলে দিয়েছেন। নিজের আক্রমণাত্মক দর্শনটা ছড়িয়ে দিয়েছেন দলের মধ্যে। তবে বিদায়বেলায় নিজে কোনো কৃতিত্ব নিলেন না, বদলে যাওয়া নিউজিল্যান্ডের মূল কৃতিত্বটা দিলেন সতীর্থদেরই, ‘গত কয়েক বছরে আমরা খেলাটা দারুণ উপভোগ করেছি। হ্যাঁ, আমরা হয়তো কিছু ম্যাচ হেরেছি, কিন্তু নিজেদের হৃদয় দিয়েই আমরা খেলেছি। যা করেছ, তোমাদের সবাইকে এ জন্য ধন্যবাদ। শুধু ঘরের মাঠে নয়, ঘরের বাইরেও নিউজিল্যান্ডের হয়ে খেলতে পারাটা আমার কাছে সারা জীবন মনে থাকবে।’ কিন্তু ম্যাককালাম পরবর্তী যুগটা কেমন হবে ? বিদায়ী কিউই অধিনায়ক ভবিষ্যতের আলোটা উজ্জ্বলই দেখতে পাচ্ছেন, ‘আমি জানি এই দলটা অনেক দূর যাওয়ার ক্ষমতা রাখে। সামনে থেকে পথ দেখানোর মতো বেশ কয়েকজন আছে এখানে। সবচেয়ে বড় কথা, অনেক ভালো মানুষ আছে। আশা করছি, এই দলটা সামনের কয়েক বছরে আরও অনেক দূর যেতে পারবে। আর আমার দর্শনটা ধারণ করার জন্য ধন্যবাদ। সেটা ধারণ করতে গিয়ে অনেক সময় আমাদের মূল্য দিতে হয়েছে, সেটার জন্য আবারও ধন্যবাদ।’ ক্রিকেটকে যখন জীবনের ধ্রুবতারা করেছেন, পরিবারকে চাইলেও খুব বেশি সময় দিতে পারেননি। তাই পরিবারের কাছে ক্ষমাও চেয়ে নিলেন বিদায় বেলায়, ‘ক্রিকেটার হিসেবে এতগুলো বছর পরিবারকে ছেড়ে বাইরে থাকা অনেক কঠিন একটা ব্যাপার। তোমাদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা, গত ১৪ বছর আমার স্বপ্নপূরণের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। লিস (স্ত্রী এলিসা), তোমাকে বলছি, বাকি জীবন ধরেই আমি এটার প্রতিদান দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব। এটা কোনো কথার কথা নয়।’ এলিসার প্রতি তো পুরো ক্রিকেটবিশ্বেরই কৃতজ্ঞ থাকা উচিত, তিনি পাশে না থাকলে এই ম্যাককালামকে হয়তো দেখাই যেত না!

www.mktelevision.net/নাভিদ মুসতাসিম ঋষু/মামুন/ইফতেখার

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here